প্রিয় কৃষক ভায়েরা, আসা লামু আলাইকুম,
আসা রাখি আপনারা সবাই ভালই আছেন,,, দেশের এই সংকট মহুর্তে আপনাদের ভুমিকা অপরিসীম তাই আপনাদের ফসলের সুরক্ষা অনিবার্য।🌹আজকে আলো চনা করবো এ- জিংক (চিলেটেড জিংক) সম্পর্কেঃ
🍆 জমিতে জিংক সারের অভাব দেখা দিলে যে লক্ষন গুলো দেখা দেয়ঃ
১. ফসলের বৃদ্ধি কমে যায় ফলে ফসল পাকতে দেরি হয়।
২. কচি পাতার গোড়া সাদা হয়ে যায়।
৩. পুষ্ট পাতায় মরচে পড়ে, পাতার রং বাদামি বা হলদে হয়ে যায়।
৪. গাছের নতুন পাতাসমূহ ছোট হয় এবং কখনো মোটা হয়ে যায় বা কুকড়িয়ে যায়।
৫. পুরাতন পাতা সমূহ শুকিয়ে যায়।
৬. পুরাতন পাতায় তামা অথবা কমলা রং এর ফোটা দেখা যায়।
৭. পাতার উপর দাগগুলি বড় হয়ে পাতা শুকিয়ে আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে, পাতা ঝুলে পড়ে।
৮. আলুর মোড়ক, পিয়াজও রসুনের আগা মরা গোড়া পচাঁ ও ঝরে পড়া রোধ করে।
৯. মুকুল ঝরা, ফল ঝরা, ফল পচা রোধ করে।
১০. পান গাছের আগা সরু, পাতার পচন, ছলমা,কাইলা রোধ করে।
🍆যেসব ফসলে জিংকের প্রয়োজন খুব বেশি হয়ঃ
ধান, আলু, কাকরোল, পান, মরিচ, পেপে, ফুল কপি, বাধা কপি, তামাক, পেয়াজ, রশুন, বেগুন, তরমুজ, শাক সবজি, আম বাগানে।
উপোরক্ত লক্ষন দেখা দেয়ার আগেই এ-জিংক প্রয়োগ করা উচিৎ।
ব্যবহারের মাত্রাঃ
প্রতি ১৬ লিটার পানিতে ৭ গ্রাম এ-জিংক ভাল ভাবে মিশিয়ে স্প্রে করবেন।
🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆🍆
প্রোডাক্টটি প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, পাইকাড়ি অথবা খুচর যে কোন ভাবে নিতে পারেন।
📱০১৭৬৩৩৮৩৮৯৮


Comments
Post a Comment